মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাল তথ্য দিয়ে উত্তরাধিকার সনদ সংগ্রহ করে জমির হোল্ডিং নিজের নামে চালুর অভিযোগ উঠেছে মোঃ ফিরোজ আলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে আদালতে আবেদন করেছেন জমির ওয়ারিশরা।
অভিযোগে বলা হয়, তফশিলভুক্ত জমির মূল মালিক ছিলেন মরহুম মীর আবেদ আলী। তার মৃত্যুর পর এক ছেলে মীর তোফের আলী ও চার মেয়ে—মরিয়ম, জরিনা বেগম, লালবানু ও শহর বানু—ওয়ারিশ হন। পরে মীর তোফের আলী নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেলে তার অংশের ওয়ারিশ হন চার বোন।
অভিযোগকারীদের দাবি, ফিরোজ আলী ছিলেন মীর তোফের আলীর পালিত পুত্র। তার জন্মদাতা পিতা অন্য ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও তিনি নিজেকে তোফের আলীর ওয়ারিশ দেখিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উত্তরাধিকার সনদ সংগ্রহ করেন। পরে ওই সনদ ব্যবহার করে তফশিলভুক্ত জমির হোল্ডিং নিজের নামে চালু ও খারিজ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এবিষয়ে চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান বলেন, তথ্য গোপন করে মীর ফিরোজ আলী ওরেশ সার্টিফিকেট নিয়েছে। এটা আমাদের ভুল হয়েছে, তবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গত ১ ও ২ জুন ২০২৬ তারিখে বিষয়টি জানাজানি হলে জমির প্রকৃত ওয়ারিশরা ঝিলিম ইউনিয়ন পরিষদ ও ভূমি অফিসে যোগাযোগ করেন। সেখানে জাল তথ্যের মাধ্যমে উত্তরাধিকার সনদ সংগ্রহ ও তা ব্যবহার করার অভিযোগের বিষয়টি জানতে পারেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভূমি প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
অভিযুক্ত মীর ফিরোজ আলীর বলেন, আমাকে আমার পালিত বাবা জীবিত অবস্থায় আমাকে সব সম্পত্তি লিখে দিয়ে গেছে।
চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ বলেন, দত্তক নেওয়া পুত্র সেই পিতার সম্পত্তির ওরেসডার হয়না। যদি মীর ফিরোজ আলী এমন জালিয়াতি করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মনিরুজ্জামান সুমন. মোবাইল : 𝟎𝟏𝟗𝟑𝟎-𝟓𝟓𝟔𝟑𝟒𝟑, ই-মেইল: 𝐬𝐮𝐦𝐨𝐧𝟔𝟑𝟑𝟔@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৭১,পুষ্প প্লাজা (৪র্থ তলা) কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত